“আমি ভাগ্যবান তোমাকে সামনে থেকে দেখেছি…”, খোলা চিঠি KK-র ছেলে

৩১ মে রাতটা যেন কলকাতাবাসীর কাছে এক দুঃস্বপ্নের রাত। কারণটা একটা কেকে এর প্রয়াণ তাও আবার তিলোত্তমার বুকে। কলকাতার দুটি কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে এসেছে আচমকাই হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মৃত্যু হয় শিল্পীর। কেকে এর মৃত্যুর পর শহর কলকাতায় চলেছে শুধুই বির্তক। দিল্লি নিবাসী দক্ষিণ ভারতীয় শিল্পী কেকে এর জন্য বাঙালি একহাত নিয়েছিলেন তাঁদরে ঘরের শিল্পী রূপঙ্করকে। কারণটা অবশ্যই ছিল তাঁর কেকে কে নিয়ে করা বির্তকিত মন্তব্য। এবার চারপাশটা বেশ থিতু হয়েছে। শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানানো বির্তক ধীরে ধীরে মলিন হতে শুরু করেছে। বাবা KK কে নিয়ে হৃদয়বিদারক খোলা চিঠি লিখলেন শিল্পী ছেলে (KK Son) নকুল কৃষ্ণা।






নকুল লিখেছেন, “তিন সপ্তাহ আগে ঠিক কি যে ঘটে গেল সেটা বুঝতে এখনও সময় লাগছে, গলা ধরে আসে মনে বুকে উপর একটা চাপ ধরে আছে। আমি আমার বাবাকে নিয়ে অনেক কিছু বলতে চাইছিলাম তবে ঘটনাটার আকস্মিকটাও বুঝতে পেরেছিলাম। তুমি চলে যাওয়ার পর আমি বুঝেছি কতটা ভাগ্যবান, এই জন্য নয় যে আমারদায়ক জীবন তুমি আমাদের দিয়েছো তার জন্য।আমি ভাগ্যবান কারণ আমি প্রতিটা দিন তোমাকে সামনে থেকে দেখছি আমি।”






একগুচ্ছ ফ্যামিলি ফটো শেয়ার করে নকুল তাঁর চিঠির শেষে সংযোজন করে লিখেছেন, “কত মানুষ এখনও তোমাকে একবার দেখতে চান। তোমার জীবনদর্শন আমি মেনেই চলেছি। যে ভাবে তুমি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে। যেভাবে তুমি তোমার একগ্রতা দেখিয়েছ সংগীতের প্রতি। সারা জীবন শুধুই পজিটিভ থেকেছো তুমি। জীবনে আবারও কখনও কোথাও দেখা হবে আমার আর তোমার।”
হিন্দি ছাড়াও বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালায়ালম, গুজরাতি-সহ একাধিক ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। ভারতীয় পপ ও রক মিউজিকে আলাদা করে নিজের পরিচয় তৈরি করেছিলেন কেকে।






‘আঁখো মে তেরি’, ‘যারা সা’, ‘খুদা জানে’ (Khuda Jane Song) , ‘তুহি মেরি শব হ্যায়’,’দিল ইবাদত’, ‘ক্যায়া মুছে প্যায়ার হ্যায়’-সহ অজস্র হিট গান দর্শকদের উপহার দিয়েছেন কেকে। ‘বাঁচনা ইয়ে হাসিনো’ ছবির ‘খুদা জানে’ গানের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন কেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *