৭ মাস বাদে পর্দায় ফিরছেন ‘শ্রীময়ী’ খ্যাত অভিনেতা, আসছে নতুন ধারাবাহিক

স্টার জলসা (Star Jalsha) শ্রীময়ীর (Sreemoyee) ধারাবাহিকটি ছিল লীনা গাঙ্গুলীর মাস্টারপিস। ইন্দ্রানী হালদার, সুদীপ মুখার্জি, উষসী চক্রবর্তী, টোটা রায়চৌধুরীকে নিয়ে এই ধারাবাহিক খুব কম সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নেয়। আবার মাঝবয়সী নায়ক-নায়িকা, আর খলনায়িকাদের নিয়ে এই ধারাবাহিক কার্যত দর্শকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে গিয়েছে। তবে এই ধারাবাহিক বন্ধ হয়েছে বেশ কয়েক মাস আগে।





দেখতে দেখতে ৭ মাস পার হয়ে গেল, শ্রীময়ী ধারাবাহিকটি বন্ধ হয়েছে। তবে এই ধারাবাহিকের চরিত্ররা আজও দর্শকদের মধ্যে জীবন্ত। বিশেষত অভিনেতা সপ্তর্ষি মৌলিককে (Saptarshi Moulik) এখন আর কোনও ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে না। কোথায় রয়ে গেলেন সপ্তর্ষি? শ্রীময়ীর ছোট ছেলে ডিঙ্কার ভূমিকায় তার চরিত্রটি দর্শকদের থেকে আদর্শ ছেলের প্রশংসা পেয়েছে। কিন্তু এত ভাল অভিনয়ের পরেও তাকে আর নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে না।






স্বভাবতই দর্শকদের মনে প্রশ্ন উঠছে কবে আবার নতুন করে ক্যামেরার সামনে দেখা যাবে তাকে? এই প্রশ্নের জবাব দিলেন সপ্তর্ষি নিজেই। শোনা যাচ্ছে লীনা গাঙ্গুলিরই এক নতুন ধারাবাহিকে তাকে দেখা যাবে। এই ধারাবাহিকে সোনামনি সাহা এবং অপরাজিতা ঘোষ দাস থাকছেন। ধারাবাহিকের প্রোমো ইতিমধ্যেই শুট হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু প্রোমো মুক্তি পাওয়া বাকি।






সপ্তর্ষি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ডিঙ্কা হিসেবে মানুষ আমাকে ভালোবেসেছেন। নতুন চরিত্রেও তাঁদের থেকে একই রকম ভালোবাসা আদায় করে নেওয়ার চেষ্টা থাকবে। ডিঙ্কাকে চাপিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নেই। শুধু ভালো কাজ করতে চাই।” তবে আপাতত ধারাবাহিক ছাড়াও মঞ্চে অভিনয়ের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। জানিয়েছেন, “১২ অ্যাংরি মেনের অ্যাডাপ্টেশন নিয়ে কাজ করছি আমরা। নাম ‘এক থেকে বারো’। স্বাতীদি নাটকটি লিখেছিলেন।”






তিনি আরও বলেছেন, “দলে এখন প্রচুর ছেলেমেয়ে। মনে হয়েছিল, এই নাটকে তাঁদের নিয়ে কাজ করা যায়। স্ক্রিপ্টটার কথা আমি আগে থেকেই জানতাম। তার পর হঠাৎ করে বাড়িতে সেটি খুঁজে পেয়েই নাটকটি ফের মঞ্চস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়।” শ্রীময়ীর পর ‘রক্ত বিলাপ’ ওয়েব সিরিজ এবং মৈনাক ভৌমিকের ‘মিমি’ ছবিতে অভিনয় করেন সপ্তর্ষি। এবার পুরোদমে ছোট পর্দায় ফিরতে চলেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *