Breaking News

শারীরিক নির্যাতন করতো স্বামী, বাধ্য হয়ে যে সকল অভিনেত্রীরা বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন

বিনোদন দুনিয়া বড়ই জটিল একটি প্ল্যাটফর্ম। হ্যাঁ, এখানে কখন কি হবে বুঝতেই পারবেন না, মানে ধরতে যাব'েন তখনই জানবেন সব শেষ। বিনোদন দুনিয়ার অধিকাংশ তারকারা' স্বল্প প্রেমে যখন তাঁর পার্টনারকে খুঁজে নেন বিনোদন মহল থেকে, এবং তারপরেই বিয়ের সি'দ্ধান্ত নিয়ে নেন তারকারা' ঠিক একই ভাবে চোখের নিমেষে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায় তাঁদের। আজ ভাব তো কাল আড়ি এই নিয়ম চলেই যাচ্ছে তারকাদের মধ্যে। তবে বিবাহের মতন একটি খাঁটি বি'ষয়ের থেকে বেরোনো অত সহজ নয়।

একজন মানুষের বিবাহ বিচ্ছেদের অনেক কারণ আছে, আজও আমা'দের ভারতে বহু জায়গায় স্ত্রীকে স্বামীর নি'পী'ড়নের শিকার 'হতে হয়, তার জন্য তাকে বিবাহ বিচ্ছেদের মতোন এত বড় সি'দ্ধান্ত নিতে হয়। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বলিউডে এরকম অনেক অ'ভিনেত্রী আছে যারা স্বামীর দ্বারা নি'পী'ড়িত হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের সি'দ্ধান্ত নিয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন অ'ভিনেত্রী স্বামীর দ্বারা নি'পী'ড়িত হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন!

প্রথমেই যার কথা বলব সে হলেন “কসৌটি জিন্দেগি” খ্যাত অ'ভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। ১৯৯৮ সালে ভোজপুরী অ'ভিনেতা রাজা চৌধুরীর স'ঙ্গে বিয়ে হয়েছিল শ্বেতা তিওয়ারির। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বাড়ির অমতে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন তিনি। কিন্তু বিয়ের এক বছরের মধ্যেই রাজা ও শ্বেতার সম্পর্ক তিক্ততায় পরিণত হয়। অ'ভিযোগ ওঠে শ্বেতাকে মা'রধর করতেন রাজা। এই বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে শ্বেতা জানিয়েছিলেন, ”উফ আমি নরক যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম! আসলে, আমা'র বিয়ের সাত বছর হয়েছে, তার মধ্যে ৬ বছরই আমি বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য লড়াই করছি। এটা যেন ১৩-১৪ বছরের বনবাস।

যেখান থেকে অবশেষে বের হয়ে আসতে পারলাম।” বর্তমানে তাঁদের একটি মেয়ে আছে যার নাম পলক। তবে রাজার স'ঙ্গে বিবাহ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার পর ২০১৩ সালে অ'ভিনব 'কোহলিকে বিয়ে করেন শ্বেতা তিওয়ারি। তাঁদেরও একটি সন্তান রয়েছে যার নাম রেয়াংশ 'কোহলি। যদিও বর্তমানে অ'ভিনব এবং শ্বেতা আলাদাই থাকেন, ইতিমধ্যেই অ'ভিনবের থেকে আইনি বিচ্ছেদ চেয়ে আবেদন করেছেন শ্বেতা।

দ্বিতীয়ত, বলিউডের ডিভা করিশ্মা কাপুর। করিশ্মা'র ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগনে, ঠিক তখনই তিনি বিয়ে করার সি'দ্ধান্ত নেন। ২০০৩ সালে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের স'ঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আব'দ্ধ হন করিশ্মা। তবে বিয়ের পরই আস্তে আস্তে সরে যান রুপালি জগৎ থেকে তিনি। প্রথম প্রথম তাঁরা সুখী দাম্পত্য জীবন কা'টালেও কিন্তু সুখ দীর্ঘায়িত হয়নি। সঞ্জয় দাবি করেন, তাঁর অ'ভিনেত্রী স্ত্রী অর্থের জন্যই তাঁকে বিয়ে করেছেন।

অন্যদিকে করিশ্মা দাবি করেন, বিয়ের প্রথম রাতেই করিশ্মাকে নিলামে তুলেছিলেন তাঁর স্বামী, তাই ২০০৫ সালে প্রথম মেয়ে সামাইরার জন্মের পর তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। ২০১০ সালে আবার যখন তাঁরা মিলিত হন, সে বছরই জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান, কিয়ান রাজ কাপুর। অবশ্য এই দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে ২০১৪ সালের জুন মাসে আ'দালতের মাধ্যমে। দুই সন্তানকে দিব্য মানুষ করছেন করিশ্মা কাপুর ‘সি'ঙ্গেল মা'দার’ হয়ে।

তৃতীয়ত, ২০০০-এর ডিসেম্বরেই সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন দীর্ঘদিনের বান্ধবী সুজানের স'ঙ্গে হৃত্বিক রোশন। তাঁদের দুই ছেলে রিহান ও রিদানকে নিয়ে সুখে কাটছিল সংসার। কিন্তু আচমকাই ছন্দ পতন। ২০১৩ সালে অ'ভিনেতা হৃতিক রোশন ও স্ত্রী সুজান খানের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। যদিও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে বহুদিন ধরেই বহু কা'টাছেঁড়া চলেছিল। একটা সময়ে হৃতিককেই সুজান ‘বেস্টফ্রেন্ড ফরেএভার’ বলে টুইট করেছিলেন। তবে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের পর। কিন্তু হৃত্বিক-সুজানের দাম্পত্য
ভেঙেছিল তার একমাত্র কারণ ছিল, তাদের দুজনের মাঝে ক'ঙ্গনা রানাউত চলে এসেছিল। হ্যাঁ, একসময়ে হৃত্বিক ক'ঙ্গনা রানাউতের স'ঙ্গে প'রকীয়া সম্পর্ক জড়িয়েছিলেন।

চতুর্থত, অ'ভিনেত্রী দলজিৎ কৌরও ছিলেন স্বামী নি'র্যাতনের শিকার। তাঁর বিবাহের ছ’বছর সম্পর্কে প্রতিদিন স্বামীর হাতে মা'র খেতেন দলজিত। কারণ হিসেবে ডানা মেলেছিল পণ। পনের দাবিতে স্বামীর কাছে দিনের পর দিন তিনি মা'র খেয়েছেন, এমনকি তাঁকে খু'ন করারও চেষ্টা করেছিলেন অ'ভিনেত্রীর স্বামী। বর্তমানে দলজিত ডিভোর্সি।

পঞ্চমত, ধোলপুরে ২০১২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি রশ্মি দেশাই উত্তরণে তার সহ-অ'ভিনেতা নন্দিশ সন্ধুকে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের চার বছর পর ২০১৪ সালে তাঁরা আলাদা হয়ে যান এবং ২০১৫ সালে তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এই নায়িকাও স্বামীর হাতে নি'র্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। রশ্মি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “প্রথম বার বিবাহবিচ্ছেদ আমাকে নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছিল। বিয়ের সি'দ্ধান্ত খুব তাড়াতাড়িই নিয়ে ফেলেছিলাম আমি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি উপলব্ধি করি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাই ঠিক হবে।” রশ্মির কথায় সম্মানের স'ঙ্গেই সেই ‘অসুখি দাম্পত্য’ থেকে বেরিয়ে এসে তিনি সুখী। এছাড়া ২০১৩-তে রশ্মির অন্তঃস'ত্ত্বাও হয়েছিলেন কিন্তু তাঁর মিসক্যারেজ হয়ে যায়। তারপর থেকেই নাকি রশ্মির স'ঙ্গে নন্দিশের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে, এমনকি নন্দিশের মহিলা বন্ধুর আধিক্যও দিনের পর দিন বাড়তে থাকে যা মেনে নিতে পারেননি রশ্মি। পরবর্তীতে তাঁদের ডিভোর্স হয়ে যায়।

About Admin_dhakasongbad

Check Also

পর্দায় প্রথমবার একসঙ্গে হাজির হচ্ছেন অক্ষয় খান্না এবং রবিনা ট্যান্ডন

এই প্রথমবার একস'ঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন অক্ষয় খান্না এবং রবিনা ট্যান্ডন। সৌজন্যে,বিজয় গু'ত্তের ওয়েব সিরিজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *