Breaking News

‘মিঠুন সফল হলে আমি অভিনয় ছেড়ে দেব’, জিতেন্দ্রর অপমানের যোগ্য জবাব দেন ফাটাকেষ্ট

তিনি একজন অ'ভিনেতাই নন বাঙালিদের ইমোশন ও তিনি। তার ডায়লগ এখনও মানুষের মুখে মুখে ঘোরে। তিনি হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। ডিস্কো ড্যান্সার গানে একসময় তিনি সারা ভারতবর্ষকে নাচিয়েছিলেন নিজের নাচের তালে। টলিউড থেকে বলিউড সব জায়গাতেই তার অ'ভিনয়ের ছাপ রয়েছে। সব জায়গাতেই তিনি দিয়েছেন একের পর এক হিট ছবি। তার অ'ভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে মন জয় করে নিয়েছিলেন হাজার হাজার দর্শকের।

তবে টলিউড থেকে বলিউডের যাত্রাপথ টা তার জন্য খুব একটা সহজ ছিল না। দিনের পর দিন নিজেকে নতুন করে তৈরি করেছিলেন তিনি। নিজের অ'ভিনয়কে নিপুণ করার জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলেন। নিজের প্রথম ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেলেও তাকে বলিউড সহজে মেনে নেয়নি। বলিউডের একাংশের মনে হয়েছিল মৃ'গয়ার নায়ক কিছুতেই বলিউডের কোনো ছবির মুখ্য চরিত্র হয়ে উঠতে পারেন না। তবে সেই সব কটাক্ষ পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বলিউডের ডিস্কো ড্যান্সার।

তবে বলিউডে মিঠুন চক্রবর্তীর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জিতেন্দ্র। জিতেন্দ্র সেই সময় নিজের নাচ এবং অ'ভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে বলিউডে রাজত্ব করেছিলেন। পরে অবশ্য জিতেন্দ্রকে মিঠুন চক্রবর্তীর সাথে বেশ কিছু ছবিতে অ'ভিনয় করতে দেখা গেলেও। শুরুর দিকে তাদের সম্পর্ক একদমই ভালো ছিল না। অ'ভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী জানিয়েছেন তিনি যখন বলিউডে ছবির খোঁজে প্রযোজকদের দরজায় দরজায় ঘুরতেন তখন জিতেন্দ্র বলেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী যদি কোনোদিন বলিউডের নায়ক 'হতে পারেন তবে তিনি অ'ভিনয় ছেড়ে দেবেন। সেদিন মিঠুন চক্রবর্তী কোনো উত্তর দিতে না পারলেও। পরে নিজের কাজের মাধ্যমে সেই অ’পমানের যোগ্য জবাব দিয়েছিলেন।

সেই সময় জিতেন্দ্র এবং মিঠুন একে অ’পরের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। সেই সময় যুবকদের মধ্যে তাদের স্টাইল স্টেটমেন্ট বেশ জনপ্রিয় ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর হেয়ারস্টাইল ছুঁচালো জুতো আর অন্যদিকে সরু গোঁফ, সাদা জুতো এবং মাফলার ছিল জিতেন্দ্রর স্টাইল স্টেটমেন্ট। জিতেন্দ্রের পাঁচ দশকের কেরিয়ার জীবনে যেখানে মুক্তি পেয়েছিল ২২৪ টি ছবি সেখানে মিঠুনের চার দশকেরও কম সময়ে মুক্তি পেয়েছিল ৩১৫ টি ছবি। একসময়ে যখন সারা বছরে জিতেন্দ্রর ১০টি ছবি মুক্তি পেত সেখানে মিঠুন ১৫টি ছবি মুক্তি পেত। জিতেন্দ্রর ঝুলিতে অনেক অ্যাওয়ার্ড থাকলেও। তিন তিনবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন ‘তাহাদের কথা’,’মৃ'গয়া’ এবং ‘স্বামী বিবেকানন্দের’ জন্যে। তার নাচে এবং অ'ভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন সবাই। শোনা যায় শ্রীদেবীর সাথেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তবে নিজের কাজের মাধ্যমে মিঠুন চক্রবর্তী সবার সব কটাক্ষের যোগ্য উত্তর দিয়েছিলেন। বলিউড থেকে টলিউড এখনও সবাই মিঠুন চক্রবর্তীকে এক ডাকে চেনে।

About Admin_dhakasongbad

Check Also

বিয়ে করবেন অভিনেত্রী, বর খোঁজার দায়িত্ব অবিবাহিত সলমনের!

আবারও রিয়ালিটি শো-র মঞ্চে 'হতে চলেছে স্বয়ম্বর। রাখি সাওয়ান্তের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন ইন্ডাস্ট্রির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *